মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

গোপালদী জমিদার বাড়ি

আমাদের ঐতিয্যবাহী ইউনিয়নের যে সমস্ত গ্রামগুলো রয়েছে তাদের মধ্যে গোপালদী পৌরসভার সদাসদী গ্রামটির সবচেয়ে বেশি ঐতিহাসিক স্মৃতি কীর্তিগুলো নিদর্শন খূজে পাওয়া গেছে। সেইসব জমিদারদের রেখে যাওয়া স্মৃতি কীর্তিগুলো এখনো অতীত যুগের স্বাক্ষর হয়ে দাড়িয়ে আছে। গোপালদীতে জমিদার ছিল তিনজন সর্দার, তেলী, ও ভূঞা। সর্দার ছিলো অত্র এলাকার সবচেয়ে বড় জমিদার। বড় বাবুর নাম ছিলো শ্রী প্রসন্ন কুমার সর্দার। বিশেষ করে তিনিই জমিদারী দেখাশুনা করতেন। খুব প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন তিনি। জমিদার শ্রী প্রসন্ন কুমারের ভাইয়ের নাম ছিলো মরিন্দ্র কুমার সর্দার আর অন্য ভাইয়ের নাম ছিলো শ্রী গোপাল চন্দ্র সর্দার। জানাযায় যে, আমাদের এককালের বাংলার রাজধানী সোনারগাঁ এর জমিদার সর্দার বাড়িতে বিয়ে করে ছিলেন। আর জমিদার শ্রী গোপাল সর্দারের নামেই বর্তমান গোপালদী বাজারের নাম করণ করা হয়েছিল। সর্দার বাড়ির বিশাল দ্বিতলা দালান। দোতলা দালানের ভিতরের দিকটায় কারুকাযগুলো  এখানো একেবারে ম্লান হয়ে যায়নি। এখনো যেন সুন্দর স্পষ্ট হয়ে ফুটে আছে। যদিও কালের আবর্তে অনেক স্থানে এতটুকু আস্তর পরিদৃষ্ট হলো না। বাড়িটির নেই আগের রং আর সৌন্দর্য্য। তবুও যেন মন ভুলানো কারুকার্য্যগুলো এখনো অম্লান। বর্তমানকে হারমানায়। দালানের সামনের দিকে সুদৃশ্যাবলী বারান্দা। বারান্দায় সুন্দর ডিজাইন করা পিলারগুলো এখানো অক্ষত অবস্থায় পরে আছে। বারান্দার প্রত্যেকটি খিলান কারম্নকার্য খচিত। সামনে সুন্দর উঠান। সর্দার বাড়ির উত্তর দিকে পুকুর ঘাট। বিরাট এক সুদৃশ্যাবলী পুকুর। পুকুরের চারদিক ছিলো সান বাধাঁনো ঘাট। দক্ষিনে দিকে দুইটি মেইন ঘাটলা। এই পুকুর ঘাটের একটিতে পুরুষ অন্যটিতে মেয়েরা গোসল করতো আর ওয়াল দিয়ে ঘাটলা দুটোকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিলো এবং উপরে বিরাট সেড ছিলো। এখনো পুকুর ঘাটের সিড়িঁগুলো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।